রক্তস্রাবী অর্শ্বের হোমিওপ্যাথিক আরোগ্য - Kolkata Herbal. Ginseng.Homeo Unani Herbal Medicine.Repertory Materia Medicia.

Kolkata Herbal. Ginseng.Homeo Unani Herbal Medicine.Repertory Materia Medicia.

ফোনে অর্ডার দিতে: 01720000039 অর্ডার করার জন্য প্রোডাক্ট কোডটি লিখে কল বা SMS, Whatsapp, IMO করুন. সারা বাংলাদেশ কুরিয়ারে ডেলিভারি । Ginseng Alkushi Ashwagandha জিনসিং আলকুশি, অশ্বগন্ধা শিমুল

SUBTOTAL :
রক্তস্রাবী অর্শ্বের হোমিওপ্যাথিক আরোগ্য

রক্তস্রাবী অর্শ্বের হোমিওপ্যাথিক আরোগ্য

Short Description:

Product Description

 


প্রধান সমস্যা:
১. ৭/৮ বৎসর যাবৎ রক্তস্রাবী অর্শ্ব। পায়খানা করার সময় খুব ব্যথা করে। পায়খানা কষা হলে রক্ত পড়ে। একটা গুটি- ছোট বা বড় হয়ে বরাবর বাইরেই বেরিয়ে থাকে। রক্ত টাটকা লাল। ব্যথা সুঁচ বেধাঁনোর মতো।
২. ৮ বৎসর যাবৎ পুরাতন আমাশয়। আমাশয় কম হলে, কোষ্ঠ্যকাঠিন্য হয়। পায়খানার সাথে মিউকাস থাকে, ‍দুর্গন্ধযুক্ত। আমাশয়ের সময় পায়খানায় অজীর্ণ খাবারের দানা থাকে।
৩. প্রতি রাত্রে জ্বর জ্বর লাগে – ১ বৎসর যাবৎ। সকালে ঘুম থেকে উঠলে দুর্বল লাগে।

আনুষঙ্গিক সমস্যা:
১. ১২ বৎসর যাবৎ পায়ের ঘামে দুর্গন্ধ। অত্যন্ত বাজে গন্ধ। পা শীতল থাকে – বিশেষ করে শীতের সময়।
২. পায়ের তলায় কিছু ছোট ছোট কড়া আছে।
৩. কিছু পরিশ্রম করলেই চোখ লাল হয়ে যায় ও জ্বালা করে।
৪. রোগী শারীরিক পরিশ্রম একদমই সহ্য করতে পারে না; ভীষণ দুর্বল ও ক্লান্ত হয়ে যায়।

অতীত ইতিহাস:
৪ বৎসর বয়সে ম্যালেরিয়া হয়, ৭/৮ বৎসর বয়সে চিকেন-পক্স হয়। ১২ বৎসর বয়সে টাইফয়েড- এলোপ্যাথিতে চিকিৎসা হয়। ২০১১ সালে রোড এক্সিডেন্টে মাথায় আঘাত পান।

পারিবারিক ইতিহাস:
বাবা: হাঁপানি, হাইপারটেনশন
মা: বাত

সার্বিক লক্ষণ:
ক) পাতলা, শীর্ণ, ক্ষীনস্বাস্থ্য। দেখতে প্রকৃত বয়সের চাইতে বেশি বয়সের মনে হয়। সতর্ক ও ভদ্র আচরণ।
খ) খাদ্যগ্রহণ: ক্ষুধা স্বাভাবিক, তবে মাঝে মাঝে ক্ষুধামান্দ্য দেখা দেয়। ঠান্ডা পানি ও খাদ্য পছন্দ করে। ঝাল ও মিষ্টি পছন্দ। চর্বি পছন্দ। প্রায় পিপাসাহীন। ভাজা ডিম, মাংশ ও শাক-সব্জি পছন্দ।
গ) রেচন: কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সাথে ডায়রিয়া পর্যায়ক্রমে দেখা দেয়। পায়খানা দুর্গন্ধযুক্ত।প্রস্রাব স্বাভাবিক কিন্তু কিছুটা ঝাঁঝালো গন্ধযুক্ত।
ঘ) ঘুম: স্বাভাবিকের চাইতে কম- ৬-৭ ঘন্টা। ভালো ঘুম হয় না। কাত হয়ে ঘুমায়- উভয় পাশে। ঘুমের মধ্যে খুব নড়াচড়া করে।
ঙ) কাতরতা: রোগী পরিষ্কারভাবে শীতকাতর। ঠান্ডা বাতাস, ঠান্ডা পানি কিছুই সহ্য করতে পারে না। গরম পানিতে গোসল পছন্দ করে। সামান্য ঠান্ডা আবহাওয়ায়ও মাথা মুড়ি দিয়ে রাখে।
চ) মানসিক বৈশিষ্ট্য: ভীতু, মৃদু প্রকৃতির কিন্তু নিজের মতামতের ব্যাপারে মনে মনে জেদ পুষে রাখে। ইনজেকশনে খুব ভয় পায়। নার্ভাস প্রকৃতির- মঞ্চভীতি আছে। নিজের ভুলের ব্যাপারে খুব সচেতন।

তারিখ: 05/03/14
Silica – 1M/ 1 dose
SL for 15 days.

ফলো-আপ

তারিখ: 22/03/14

ঔষধ গ্রহণের কয়েকদিনের মধ্যে রক্ত পড়া বন্ধ হয়েছে। যদিও ফোলাটা একই ভাবে আছে। পরিশ্রম করেছে, কিন্তু চোখ আগের মতোই লাল ছিলো। রাত্রে জ্বর লাগাটা প্রায় অনুপস্থিত। কোষ্ঠকাঠিন্য কম, আমাশয় এখনো দেখা দেয়নি। পায়ের ঘামের গন্ধ ও প্রস্রাবের গন্ধ কিছুটা কম বলে রোগী জানালো।

SL for 15 days.

তারিখ: 16/04/14
অর্শ্বের ফোলাটা কম। প্রস্রাবের দুর্গন্ধ নেই। পায়ের ঘামের গন্ধও বেশ কম। পায়খানা কয়েকদিন যাবৎ স্বাভাবিক।

SL for 15 days.

তারিখ: 12/06/14
রোগীর কোন অভিযোগ নেই। মন ও শরীর উভয় দিক দিয়েই উন্নত। যদিও দুর্বলতা অনেকটা কম কিন্তু এখনো বোধ করেন। আগের চেয়ে পরিশ্রম করার সক্ষমতা বেড়েছে। এখন পরিশ্রম করলে চোখ আর আগের মতো লাল হয়না।

SL for 15 days.

তারিখ: 15/12/14
রোগী নিজের সিদ্ধান্তে লম্বা বিরতি দিয়েছিলেন। এবং ইতোমধ্যে যথেষ্ঠ গরুর মাংশ ও ভারী ও মশলাদার খাবার খেয়ে গিয়েছেন। কয়েকদিন আগে অর্শ্ব কিছুটা দেখা দিয়েছে। রক্ত এখনো যায়নি কিন্তু ফুলে উঠেছে ও সামান্য ব্যথা করছে। কোষ্ঠকাঠিন্যও সামান্য দেখা যাচ্ছে। পায়ের গন্ধ নেই। কয়েক সপ্তাহ যাবৎ ঘুমে সমস্যা।

Silica – 1M/ 1 dose
SL for 15 days.

তারিখ: 19/03/15
শেষ ঔষধের পর ভালো ছিলেন। অর্শ্বের ছোট একটি গুটি বাদে আর কোন সমস্যা নেই। জ্বর জ্বর ভাবটা কিছুদিন ধরে দেখা যাচ্ছে। পায়খানায় কিছুটা আমাশয়ের ভাব।

Silica – 10M/1 dose
SL  for 21 days.

তারিখ: 22/04/15
জ্বরভাব নেই। দুর্বলতাও অনেক কম। পায়খানা স্বাভাবিক। ক্ষুধা ও ঘুম ভালো।

SL for 21 days.

তারিখ: 25/05/15
গুটিটা প্রায় চলে গিয়েছিলো, নিমন্ত্রণে ভারী খাবার খাওয়ার পর আবার সামান্য দেখা যাচ্ছে। পায়খানা স্বাভাবিক। ইদানীং জননেন্দ্রিয়ের এলাকায় ঘাম হয়- দুর্গন্ধযুক্ত। গরমের সময় মুখে তেল উঠে।

Thuja – 1M/1 dose
SL – for 21 days.

রোগী এরপর 20/05/15 ও 25/06/15 ইং তারিখে আসে। কোন অভিযোগ ছিলো না। শেষবার ১ মাসের ঔষধ দিয়ে দেয়া হয় ও পরবর্তীতে কোন সমস্যা দেখা দিলে আসতে বলা হয়।