Lilium Tigrinum (lil-t) লিলিয়াম টিগ্রিনাম
পরিচয়ঃ ইহার অপর নাম টাইগার-লিলি। জাপান ও চীন দেশের বাগানে জন্মে । পুষ্পিত অবস্থায় সমগ্র তাজা গাছটি হইতে মূল অরিষ্ট তৈরী হয় ।
ধাতুগত বৈশিষ্ট্যঃ ইহা স্ত্রীলোকদের একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ । সাধারণত লম্বা গড়ন ও কৃষ্ণদেহা বয়স্কা নারীদের পক্ষেই ভাল খাটে।
Antidote food/ ঔষধের ক্রিয়ানাশক খাদ্য: কফি, কর্পূর ।
ক্রিয়ানাশকঃহেলোনিয়াস; নাক্স ভম; প্ল্যাটি, পালস।
- জরায়ু চ্যুতি ও জরায়ুর বিবিধ পীড়ায় ইহা সিপিয়ার তুল্য।
- জরায়ুর পীড়ার সহিত হৃদপিন্ড আক্রান্ত হইতে লিলিয়াম অমোঘ ঔষধ।
- ইহার ক্রিয়া দেরীতে প্রকাশ পায়, সুতরাং ঔষধ প্রয়োগ করিবার পর উপযুক্ত সময় পর্য্যন্ত অপেক্ষা করা উচিৎ।
- ইহার উচ্চ ও মধ্যশক্তিতে উপকার অধিক হয়।
- পযার্য়ক্রমে জরায়ুতে ব্যথা ও উন্মাদভাব।
- জরায়ুর স্থানচূত্যি, জরায়ু যেন বাহির হইয়া আসিতেছে, জরায়ুর মুক বাঁকিয়া যাওয়া।
- পুনঃপুন মলত্যাগ বা মূত্রত্যাগ করার ইচ্ছা।
কাতরতাঃ
গরমকাতর (প্রথম গ্রেড) : [James Tyler Kent]
গরমকাতর (দ্বিতীয় গ্রেড): [Dr. Robert Gibson Miller]
মায়াজমেটিক অবস্থাঃ (মায়াজমের দোষ নষ্ট করার শক্তি):
- এন্টি-সোরিক (তৃতীয় গ্রেড)
- এন্টি-সাইকোটিক (তৃতীয় গ্রেড)
মূল কথাঃ
-
কোমল ভাবে বা মিষ্ট ভাষায় তিনি কাহারও সহিত ব্যবহার করিতে পারেন না।
-
এক মিনিটও স্থির থাকিতে ইচ্ছা হয় না, কেবলই ঘুরিয়া ফিরিয়া বেড়াইবার ইচ্ছা জাগে।
-
শরীরের ভিতরের সকল যন্ত্রাদি নিম্নদিকে জরায়ূ পথদিয়ে নির্গত হইয়া যাচ্ছে-এমন ভয়ে রোগীণি সর্বদা বিব্রত হয়।
-
মন অত্যন্ত বিষন্ন, সর্বদা গালি দিতে থাকে।
-
পর্যায়ক্রমে জরায়ু যন্ত্রণা ও উন্মাদ ভাব।
-
অতিরিক্ত সঙ্গমেচ্ছা।
-
জরায়ুর শিথিলতার সহিত বুক ধড়ফড় করিতে থাকে।
-
জরায়ুর স্থানচ্যুতি-জরায়ু যেন বাহির হইয়া আসিতেছে।
-
জরায়ুর মুখ বাঁকিয়া যায়।
-
হৃদপিন্ডে দারুণ যন্ত্রণা-হঠাৎ কে যেন মুঠা করিয়া চাপিয়া ধরিয়াছে।
-
পুনঃপুন মলত্যাগ বা মূত্রত্যাগ করিবার ইচ্ছা।
-
মাথার তালু, হাতের তালু এবং পায়ের তলায় জ্বালা।
-
ঋতুস্রাব কেবলমাত্র বেড়াইবার সময় প্রকাশ পায়।
-
শরীরের বাম দিক বেশি আক্রান্ত হয়।
ব্যবহারস্থলঃ ডিম্বাধার প্রদাহ, জরায়ুর স্থানচ্যুতি, জরায়ুর নানাবিধ পীড়া, উদরাময়, হৃৎশূল, হৃদকম্প প্রভৃতি পীড়ায় ফলপ্রদ ।
ক্রিয়াস্থলঃ জরায়ু, হৃদপিন্ড, ডিম্বকোষের উপর ইহার প্রধান ক্রিয়া ।
উপশম/হ্রাসঃ বাদিকে শুইলে, দ্রুত নড়াচড়ায়, চাপ দিলে, হাত দিয়া ধরিয়া থাকিলে, পায়ের উপর পা রাখিলে, সূর্যাস্তের সময়, কোন কাজে নিযুক্ত থাকিলে, অন্য মনস্ক হইলে, খোলা বাতাসে, চাপ ও ঘর্ঘণে (হৃদরোগ) উপশম ।
বৃদ্ধিঃ বিশ্রামে, ডান দিকে শুইলে, হেঁট হইলে (হৃদবেদনা), দাঁড়াইলে, বিকালে, সন্ধ্যায়, রাত্রে, অতি প্রাতঃকালে, গরম ঘরে বৃদ্ধি।
ক্রিয়া স্থিতিকালঃ১৪-২০ দিন।
লক্ষণ সূত্রঃ এম,
ভট্রাচার্য্য: পৃষ্ঠা-৫৪০, এন, সি ঘোষ: পৃষ্ঠা-৪৪১, উইলিয়াম বোরিক:
পৃষ্ঠা-২৮২, নরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়: পৃষ্ঠা-৪৮৪, অতুল কৃষ্ণ দত্ত:
পৃষ্ঠা-৫৮০, জেমস টেইলর কেন্ট: পৃষ্ঠা-৫০৪, নীলমনি ঘটক: পৃষ্ঠা-৫৬৫, ই. বি
ন্যাশ: পৃষ্ঠা-২৫৩, জে এম মিত্র: পৃষ্ঠা-৪৯৬, এস কে সাহা: পৃষ্ঠা-৪০৫, এইচ.
সি এলেন: পৃষ্ঠা-১৬২