Diphtherinum (diph) ডিফথেরিনাম
পরিচয়ঃ নোসোড। ডিফথেরিয়া রোগের বিষ হইতে তৈরী হইয়া থাকে।
ধাতুগত বৈশিষ্ট্যঃগ্ল্যান্ডের অসুখে যারা ভোগেন বিশেষভাবে সেক্ষেত্রে যারা গ্ল্যান্ডের রোগগ্রস্ত, সোরাদোষযুক্ত, ক্ষয় ধাতু প্রবণ, যাদের গলা ও শ্বাসযন্ত্রের শ্লৈষ্মিক ঝিল্লীতে সর্দি বা শ্লেষ্মা জমা হবার প্রবণতা থাকে তাদের পক্ষে উপযোগী।
Antidote food/ ঔষধের ক্রিয়ানাশক খাদ্য: কফি, কর্পূর ।
-
এই ঔষধটি ৩০
শক্তির নিচে ব্যবহার করিলে উপকারের পরিবর্তে অপকারের সম্ভাবনা অধিক এবং
কখনও পুনঃ পুনঃ ঘন ঘন প্রয়োগ করিবেন না--- ডাঃ এলেন।
- ইহা ডিফথেরিয়া রোগের প্রতিষেধক।
কাতরতাঃ
জানা যায়নি।
মায়াজমেটিক অবস্থাঃ (মায়াজমের দোষ নষ্ট করার শক্তি):
- যক্ষ্মা বা ক্যান্সার ধাতুগ্রস্ত।
সোরা দোষের প্রাধান্য যে সকল ব্যক্তির দেহ সর্বদাই নানা প্রকার পীড়ার লীলাক্ষেত্র, ভীষণ দুর্বল, বিশেষ করিয়া কন্ঠদেশে সর্দির প্রকোপ, উপরিস্থ শ্বাস যন্ত্রের পীড়াদি প্রায়ই দেখা দেয়, এই সকল দেহে এই ঔষধ ব্যবহৃত হয়্। ইহা ছাড়া টিউবারকুলার দেহটিও ডিপথেরিয়ায় প্রায়ই আক্রান্ত হয়।
মূল কথাঃ
- ক্ষীণ জীবনি শক্তি এবং প্রায়ই ডিফতেরিয়ায় আক্রান্ত হইবার প্রবণতা ।
- পীড়ার প্রথম হইতেই অত্যধিক দুর্বল এবং কোলাপস হইবার উপক্রম।
- রোগী চঞ্চল অথচ নাড়ী ক্ষীণ।
- গাল, গলা ফুলিয়া উঠে।
- রোগীর শারীরিক উত্তাপ স্বাভাবিক হইতেও কিছু কম।
- মুখ ও নাসিকা হইতে ভীষণ দুর্গন্ধযুক্ত লালা নিঃসরণ হয়।
ব্যবহারস্থলঃ ইহার উচ্চশক্তি ডিফ্থেরিয়া রোগের প্রতিষেধকরূপে ব্যবহৃত হইয়া থাকে। সে সকল ব্যক্তির খুব শীঘ্র শীঘ্র ঠান্ডা লাগিয়া সর্দি হয় তাহাদের পক্ষে এবং সাংঘাতিক ডিফ্থেরিয়া রোগে যেখানে কন্ঠাভ্যন্তরিস্থত গ্রন্থি সকল বর্দ্ধিত হয়, সেখানে এই ঔষধ বিশেষ কাজ করে।
ক্রিয়াস্থলঃ রক্ত ও গলার ভিতর ইহার প্রধান ক্রিয়া।
বৃদ্ধিঃ শুইয়া থাকিলে, ঠান্ডায় ও দুধপানে বৃদ্ধি
লক্ষণ সূত্রঃ এম,
ভট্রাচার্য্য: পৃষ্ঠা-৩৩৪, এন, সি ঘোষ: পৃষ্ঠা-৩০৪, উইলিয়াম বোরিক:
পৃষ্ঠা-১৮৩, নরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়: পৃষ্ঠা-৪৭৭, নীলমনি ঘটক:
পৃষ্ঠা-২৯২, জে এম মিত্র: পৃষ্ঠা-৩৪৬, এস কে সাহা: পৃষ্ঠা-২৬৬, এইচ. সি
এলেন: পৃষ্ঠা-১১৪, জন হেনরি ক্লার্ক: পৃষ্ঠা-৬২৩ ।