Cyclamen Europoeum সাইক্ল্যামেন ইউরোপীয়াম
পরিচয়ঃ
ইহার অপর নাম আর্টানিটা সাইক্ল্যামেন, সো-ব্রেড। দক্ষিণ ইউরোপের এক প্রকার
লতা জাতীয় গাছের মূল হইতে টিংচার প্রস্তুত হয়। ইহাকে শুধুমাত্র
’সাইক্ল্যামেন’ সংক্ষিপ্ত নামেও ব্যবহার করা হয়। Cyclamen Europaeum .
ধাতুগত বৈশিষ্ট্যঃ রক্তহীনতা,
রক্তে লোহিত কণিকা কমে গিয়ে হলদে ফ্যাকাশে বর্ণ,শ্লেষ্মা ও রসধাতুর লোকদের
পক্ষে উপযোগী। যে সকল ফর্সা সুন্দরী, মোটাসোটা স্ত্রীলোকদের রজঃরোধ বা
স্বল্প রজঃস্রাব হয় ও রোগীণি শীত শীত বোধ করে তাহাদের পক্ষে বিশেষ উপযোগী।
(Antidote food) ঔষধের ক্রিয়ানাশক খাদ্য: কফি, কর্পূর ।
সাইক্লামেনের বৃদ্ধি ও উপশম সাধারনত পালসেটিলার বিপরীত; বিশ্রামে সাইক্লামেনের প্রচুর রজঃস্রাব হয়, পালসেটিলার ঠিক বিপরীত। আবার বহু বিষয়ে ইহা পালসেটিলার সদৃশ কিন্ত মানসিক লক্ষণ পালসেটিলার বিপরীত।
কাতরতা:
শীতকাতর (দ্বিতীয় গ্রেড): [Dr. Robert Gibson Miller এবং James Tyler Kent]
গরমকাতর (তৃতীয় গ্রেড): [James Tyler Kent]
মূল কথাঃ
এই ঔষধটির ব্যবহার বিশেষ পাওয়া যায় না। ইহার সাথে পালসেটিলার অনেক মিল আছে।
ব্যবহারস্থলঃ
মস্তিষ্ক, চক্ষু, উদর এবং স্ত্রীজননেন্দ্রিয় আক্রান্ত হয়।পালসেটিলার সহিত
ইহার বহু সাদৃশ আছে কিন্ত হ্রাস বৃদ্ধি লক্ষণ পালসেটিলার বিপরীত।
ক্রিয়াস্থলঃ মস্তিষ্ক, উদর, চক্ষু, স্ত্রীজননেন্দ্রিয় ও পৃষ্ঠবংশীয় স্নায়ুমন্ডল।
উপশম/হ্রাসঃ গরম ঘরে, কাঁদিলে, লেমোনেড খাইলে, স্পর্শে হ্রাস, নড়াচড়ায় অধিকাংশ লক্ষণ কম থাকে।
বৃদ্ধিঃ বসিলে,
দাঁড়াইলে, রাত্রে, খাইবার পর, পড়িবার সময় (চোখ জ্বালা), ঠান্ডা জল পান
করিলে, সন্ধ্যায়, মাখন খাইলে, খোলা বাতাসে, শীতল জলে, তৈলাক্ত পদার্থ
সেবনে, ঋতুকালে বৃদ্ধি। ক্রিয়া স্থিতিকালঃ ২১ দিন।
(Inimical food) ঔষধের পরিপন্থী বা অনিষ্টকর খাদ্য: চর্বি, শূকরের মাংস, কফি, তামাক, মাখন, রুটি, লেমনেড, গুরুপাক খাদ্য ।
লক্ষণ সূত্রঃ এম, ভট্রাচার্য্য: পৃষ্ঠা-৩২৭, এন, সি ঘোষ: পৃষ্ঠা-২৯৫, উইলিয়াম বোরিক: পৃষ্ঠা-১৭৭, নরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়: পৃষ্ঠা-৪৮৬, অতুল কৃষ্ণ দত্ত: পৃষ্ঠা-৪০৭, ই. এ. ফ্যারিংটন: পৃষ্ঠা-, জেমস টেইলর কেন্ট: পৃষ্ঠা-৩৫০, নীলমনি ঘটক: পৃষ্ঠা-২৮০, ই. বি ন্যাশ: পৃষ্ঠা-৬৬৫, জে এম মিত্র: পৃষ্ঠা-৩৩৮, এইচ. সি এলেন: পৃষ্ঠা-১১০, জন হেনরি ক্লার্ক: পৃষ্ঠা-৬০১ ।