আমাশয় - Dysentery
সাধারণত পায়খানার সাথে আম বা মিউকাস যাওয়াকে আমাশয় বলা হয়। তবে ইহার সাথে বমি, আমাশয়ের চিকিৎসাতেও লক্ষণ মিলিয়ে ঔষধ খেতে হবে। রোগের নাম (সাধারণ আমাশয়, রক্ত আমাশয়, পুরনো আমাশয় ইত্যাদি) চিন্তা করে ঔষধ খেলে কোন উপকার হবে না।
Mercurius Solubilis : সাধারণ আমাশয়ে প্রথমেই আমাদেরকে মারক সল ঔষধটির কথা স্মরণ করতে হবে। মারক সলের প্রধান লক্ষণ হলো পায়খানার করার পরে রোগীর মধ্যে একটি তৃপ্তির ভাব আছে, সে আরাম পায়। Mercurius Corrosivus : পক্ষান্তরে
রক্ত আমাশয়ের ক্ষেত্রে মারক কর ঔষধটি খেতে হবে। Ipecac : আমাশয়ের সাথে যদি বমিবমি ভাব থাকে, তবে ইপিকাক ঔষধটি খেতে থাকুন। Nux Vomica : অনেক রকম ঔষধ খাওয়ার পরও যদি আমাশয় ভালো না হয়, তবে নাক্স ভমিকা খেতে থাকুন। নাক্স ভমিকার
প্রধান লক্ষণ হলো রোগী পায়খানা করার পরেও কোন আরাম পায় না। মনে হয় কিছু পায়খানা এখনও রয়ে গেছে : মনে হয় আরো কিছুক্ষণ বসে কোথানি দিলে আরাম লাগত। Belladonna : যদি শরীর গরম থাকে, শরীরে জ্বালাপোড়া থাকে, পায়খানার সাথে টকটকে লাল তাজা
রক্ত যায়, ছুড়ি মারার মতো পেট ব্যথা থাকে, তবে এই ধরণের আমাশয়ে বেলেডোনা খেতে হবে ।
Cantharis : পায়খানার রাস্তায় যদি আগুনের মতো জ্বালাপোড়া থাকে, তবে ক্যান্থারিস খেতে হবে। colchicum : কলচিকামের প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো হেমন্তকালের
আমাশয়, পায়ের পেশীতে খিল ধরা, খাবার দেখলে-খাবারের কথা চিন্তা করলে-খাবারের গন্ধ পেলেও বমি বমি ভাব হয়, সাংঘাতিক কোথানি ইত্যাদি ইত্যাদি। Colocynthis : আমাশয়ের সাথে যদি পেটে ছুরি মারার মতো মারাত্মক ব্যথা থাকে এবং সেই ব্যথা যদি পেটে চাপ
দিলে কমে, তবে তাতে কোলোসিন্থ খেতে হবে। সাধারণত ঝগড়াঝাটি, অপমান ইত্যাদি ঘটনার পরে কোলোসিন্থের লক্ষণ এসে থাকে। Dioscorea : আমাশয়ের সাথে যদি পেটে ছুরি মারার মতো মারাত্মক ব্যথা থাকে এবং সেই ব্যথা যদি পেটে চাপ দিলে বেড়ে যায়, তবে তাতে
ডায়োস্কোরিয়া খেতে হবে। সাধারণত ঝগড়াঝাটি, অপমান ইত্যাদি ঘটনার পরে কোলোসিন্থের লক্ষণ এসে থাকে। Ipecacuania : আমাশয়ের সাথে যদি বমিবমি ভাব থাকে এবং জিহবা পরিষ্কার থাকে, তবে ইপিকাক প্রযোজ্য।

