Kalmia Latifolia (kalm) ক্যাল্মিয়া ল্যাটিফোলিয়া
পরিচয়ঃ আমেরিকান লরেল । (মাউন্টেন লরেল লতানো গাছ; ব্রড লিভিড লরেল।) গাছের যখন ফুল হয় তখন ইহার সরস পাতা থেক মূল অরিষ্ট তৈরী করা হয়।
Antidote food/ ঔষধের ক্রিয়ানাশক খাদ্য: কফি, কর্পূর ।
ক্রিয়ানাশকঃএকোনাইট, বেলেডোনা, স্পাইজে ।
কাতরতাঃ
শীতকাতর (দ্বিতীয় গ্রেড) : [Dr. Robert Gibson Miller এবং James Tyler Kent]
মায়াজমেটিক অবস্থাঃ (মায়াজমের দোষ নষ্ট করার শক্তি)
- এন্টি-সাইকোটিক (দ্বিতীয় গ্রেড)
- এন্টি-সিফিলিটিক (দ্বিতীয় গ্রেড)
-
নড়াচড়ায় বৃদ্ধি কিন্তু উত্তাপ প্রয়োগে বা ঠান্ডায় উপশম নেই।
-
ব্যথা শরীরের যেখানেই হউক, সেখান থেকে নিম্নদিকে ছুটিয়া যাইতে থাকে, কিন্তু বাতের ব্যথা ক্রমশ হৃদপিন্ড আক্রমন করে।
-
রোগী বাম পাশে চাপিয়া শুইতে পারে না ।
-
হৃদরোগের সহিত বাঁ হাতে ঝিনঝিনে বেদনা; তৎসহ নাড়ীর গতি ধীর-মিনিটে ৩৫/৪০ বার, হৃদপিন্ডের চারিপাশে বেদনা ও শ্বাসকষ্ট।
-
বাতপীড়া চাপা পড়িয়া হৃদযন্দ্রের সকল লক্ষণ আসে।
-
চাপাপড়া বাত পীড়াটির প্রকৃতি সর্বদাই সঞ্চরণশীল।
-
হৃদপিন্ডের রোগে নাক্স ভমিকা, আইয়োডিয়াম ও স্পাইজিলিয়ার পর এই ঔষধ (ক্যাল্মিয়া ল্যাটিফোলিয়া) ভাল কাজ করে।
-
নার্ভ এর
তরুণ ব্যথা, বাতযন্ত্রণা, গিঁটবাত জনিত অসুখে বিশেষত বাতব্যাধিতে বা
গিটবাতের উপসর্গে যখন হৃৎপিন্ড আক্রান্ত হয়; অথবা বাতব্যধি হতে যে
হৃৎপিন্ডের অসুখ হয়েছে বা হৃৎপিন্ডের অসুখ বাতরোগের সাথে পাল্টাপাল্টিভাবে
প্রকাশ পায় সেক্ষেত্রে এই ঔষধ উপযোগী।
ব্যবহারস্থলঃ বাত, সন্ধিবাত, হৃদশূল, মূত্রপীড়া, অন্ধত্ব, পাকাশয়শূল, শোথ, স্নায়ুশূল, মূর্চ্ছা, বাধক, প্রদর, মাতাঘোরা, বমন, উপদংশ, গলক্ষত, তামাকের মন্দফল প্রভৃতি ক্ষেত্রে ফলপ্রদ।
ক্রিয়াস্থলঃ ধমনী, হৃদপিন্ড ও তার শিরাসমূহের উপর ইহার প্রধান ক্রিয়া ।
উপশম/হ্রাসঃ সন্ধ্যাবেলা, চিৎ হইয়া গুইলে, প্রস্রাব হইলে, আহারান্তে উপশম।
বৃদ্ধিঃ প্রদরসাবকালে, সূর্য্যোদয় হইতে দুপুর পর্য্যন্ত, মাথা নোয়াইলে, নিচের দিকে তাকাইলে, অতিরিক্ত পরিশ্রমে, খোলা বাতাসে, নড়াচড়া করিলে বৃদ্ধি।
ক্রিয়া স্থিতিকালঃ৭-১৪ দিন।
লক্ষণ সূত্রঃ এম, ভট্রাচার্য্য: পৃষ্ঠা-৫১০, এন, সি ঘোষ: পৃষ্ঠা-৪১৪, উইলিয়াম বোরিক: পৃষ্ঠা-২৬৮, নরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়: পৃষ্ঠা-১৫১, অতুল কৃষ্ণ দত্ত: পৃষ্ঠা-৫৫০, জেমস টেইলর কেন্ট: পৃষ্ঠা-৪৭৫, নীলমনি ঘটক: পৃষ্ঠা-৫১৪, ই. বি ন্যাশ: পৃষ্ঠা-২৮৪, জে এম মিত্র: পৃষ্ঠা-৪৬৫, এস কে সাহা: পৃষ্ঠা-২১৪, এইচ. সি এলেন:পৃষ্ঠা-১৫১ ।